ফিলিপিনো মহিলা মিসেস সি-এর কণ্ঠস্বর

আমি প্রথম জাপানে আসি ১৯৯০-এর দশকে। পরিবার থেকে দূরে থাকাটা কষ্টকর ছিল, কিন্তু আমি তাদের সাহায্য করার জন্য এখানে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিই, কারণ তারা দারিদ্র্যের শিকার ছিল।

আমার ফিলিপিনো স্বামীর সাথে আমার বিয়ের ১৮ বছর হয়েছে এবং জাপানে আমাদের দুটি সন্তান রয়েছে। তারা বর্তমানে যথাক্রমে জুনিয়র হাই স্কুলের দ্বিতীয় বর্ষে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ছে।

জাপান খুবই প্রাণবন্ত এবং সেখানে দেখার মতো অনেক কিছু আছে; প্রথম দর্শনেই আমি অভিভূত হয়েছিলাম। আমার মনে হয় এটি একটি চমৎকার দেশ।

যদি আপনি জাপানে বহু বছর থাকার পরিকল্পনা করেন, তবে আপনাকে জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে, যা সহজ নয়। উদাহরণস্বরূপ, খাদ্য সংস্কৃতির সঙ্গে অভ্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি আপনাকে জাপানি ভাষাও শিখতে হবে।

জাপানে থাকার সময় আমার ভালো-মন্দ নানা ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে, এবং সেই অভিজ্ঞতাগুলোই আজকের আমিকে গড়ে তুলেছে।আমি আপনাদের সবাইকে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে এবং নিজেদের সেরাটা দিতে উৎসাহিত করি।